প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ মার্চ ২০১৬

উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প

মানব সম্পদ উন্নয়নে এযাবৎকালে সরকার কর্তৃক যে সকল গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে, তারমধ্যে উপবৃত্তি প্রদান কর্মসূচি অন্যতম। বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক নারী যারা দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, আর্থ-সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা, ধর্মীয় গোঁড়ামী ইত্যাদি কারণে শিক্ষালাভ হতে বঞ্চিত ছিল বিধায় দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তাদের যথাযথ অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্থ হচ্ছিল। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে নারী শিক্ষাকে উৎসাহিত করার উপায় হিসেবে বেসরকারিভাবে ১৯৮২ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ছাত্রী উপবৃত্তি প্রকল্প চালু হয়,বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস) পর্যায়ে ৫টি প্রকল্প চালু রয়েছে।  
১। সেকেন্ডারি এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রজেক্ট (এসইএসপি)/ মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২য় পর্যায় (বর্তমান নাম):
সেকেন্ডারী এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রজেক্ট (এসইএসপি) নামে প্রকল্পটি শুরু হলেও বর্তমানে  মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২য় পর্যায় নামে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২১৮টি উপজেলায় এই প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত (স্কুল ও মাদ্রাসা) শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ জুন-২০১৭ সালে শেষ হবে।
২। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প:
বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে সারাদেশে এই প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত  শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ জুলাই-২০১৭ সালে শেষ হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার বাল্য বিবাহ প্রতিরোধসহ ছাত্রী ড্রপআউট এবং শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হন বিধায় জনসংখ্যাবৃদ্ধি হ্রাসের লক্ষ্যে ছাত্রীদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত অবিবাহিত রাখার প্রয়াস হিসেবে সরকার উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প চালু করে।
৩। সেকেন্ডারী এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টসেন্ট প্রোগ্রাম  (সেসেপ):
বাংলাদেশ সরকার ও এডিবি এর অর্থায়নে ১৭টি  জেলার ৫৪টি উপজেলায় এই প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত (স্কুল ও মাদ্রাসা) শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ ডিসেম্বর-২০১৭ সালে শেষ হবে।

৪। সেকেন্ডারী এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট  (সেকায়েপ):
বিশ্ব ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২১৫টি উপজেলায় এই প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত (স্কুল ও মাদ্রাসা) শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ ডিসেম্বর-২০১৭ সালে শেষ হবে।

৫। স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প:
বাংলাদেশ সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এর অর্থায়নে সারা দেশে এই প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মেয়াদ জুন-২০১৬ সালে শেষ হবে।

 

প্রকল্পের নাম

প্রকল্পের মেয়াদ

কোন শ্রেণি থেকে কোন শ্রেণি পর্যন্ত

সুবিধাভোগী   

প্রকল্প এলাকা

এ বছরের মোট বিতরণ

(কোটি টাকা)

  

উপকারভোগী শিক্ষার্থী সংখ্যা (জন)

আরম্ভ   

  শেষ

ছেলে      

মেয়ে 

ছাত্র   

ছাত্রী

 সেকেন্ডারী এডুকেশন স্টাইপেন্ড প্রজেক্ট (এসইএসপি)/ মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২য় পর্যায় (বর্তমান নাম)

জুলাই     ২০০৯   

৩১ ডিসেম্বর ২০১৪

৬ষ্ঠ থেকে এসএসসি/
দাখিল

১০%   

৩০%

২১৭টি উপজেলা

২১৫.০০ (সম্ভাব্য)

১৪,৯৯,৩৮৫ (সম্ভাব্য)

 

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প

জুলাই ২০০৮

জুন ২০১৪

শুধুমাত্র এইচএসসি

৪০%

সমগ্র বাংলাদেশ

১৪৪.৮১

৯৭,০০০

৪,০৪,০০০

স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প

জুলাই ২০১২

জুন ২০১৬

স্নাতক(পাস) ও সমমান

 

 

সমগ্র বাংলাদেশ

১২৯.৬৮

২,৩০,৭৪৮ (সম্ভাব্য)

সেকেন্ডারী এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম  (সেসেপ)

জানুয়ারি ২০১৪

৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

৬ষ্ঠ থেকে ১০ম

২০%

৩০%

১৭টি জেলার ৫৪টি উপজেলা

৪৫.৩২

৭২,০৮১

১,৭৫,২৩২

সেকেন্ডারী এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট  (সেকায়েপ)

 

জুলাই ২০০৮

জুন ২০১৭

৬ষ্ঠ থেকে ১০ম

 

দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী

১২৫টি জেলার ৯০টি উপজেলা

২১৮.৮৮

৪,৪৮,৯১৮

৫,৯৯,৫৪৩

 


Share with :
Facebook Facebook